হাওজা নিউজ এজেন্সি: ফোনকল কিংবা লিখিত বার্তার মাধ্যমে কেউ সালাম জানালে উভয় ক্ষেত্রেই কি একই বিধান প্রযোজ্য? এ বিষয়ে ফিকহবিদ হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন ফালাহজাদে ব্যাখ্যা করেছেন, ফোনকলের ক্ষেত্রে উপস্থিত ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাতের অনুরূপ বিধান প্রযোজ্য হলেও চ্যাটের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়।
প্রশ্ন
কেউ ফোনে সালাম দিলে ফিকহের দৃষ্টিতে তার সালামের জবাব দেওয়া কি ওয়াজিব? আর চ্যাটের মাধ্যমে সালাম জানালে এর বিধান কী?
উত্তর
হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন ফালাহজাদে শহীদ আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী (রহ.)-এর একজন মুকাল্লিদের করা এই ফিকহি প্রশ্নের জবাবে বলেন:
সালামের জবাব দেওয়া ওয়াজিব হয় মূলত সরাসরি সাক্ষাতের ক্ষেত্রে, যেখানে ব্যক্তির উপস্থিতির বিধান প্রযোজ্য। ফোনকলও এর অন্তর্ভুক্ত—সেটি ভিডিওকল হোক কিংবা সাধারণ ফোনকল।
এ ক্ষেত্রে একজন সালাম দিলে অপর পক্ষের জন্য তার জবাব দেওয়া ওয়াজিব।
তবে এর বাইরে সালামের জবাব দেওয়া ওয়াজিব নয়। যেমন, কেউ চ্যাটে বার্তা পাঠিয়ে সালাম জানালে তার জবাব দেওয়া ভালো এবং সম্মান ও সৌজন্যের দিক থেকেও তা করা উচিত। কিন্তু কেউ যদি সেই সালামের জবাব না দেয়, তাহলে সে কোনো ওয়াজিব কাজ পরিত্যাগ করেছে—এমনটি বলা যাবে না।
অর্থাৎ, যেসব ক্ষেত্রে ব্যক্তির উপস্থিতির বিধান প্রযোজ্য—যেমন সাধারণ ফোনকল বা ভিডিওকল—সেখানে সালামের জবাব দেওয়া ওয়াজিব। পক্ষান্তরে, চ্যাট বা লিখিত বার্তায় সালামের জবাব দেওয়া শরিয়তগতভাবে ওয়াজিব নয়।
আপনার কমেন্ট